সূরা মুলক পাঠ এর ফজিলত➡️➡️➡️

সূরা মুলক পাঠ এর ফজিলত➡➡➡

রাসূলﷺ বলেছেন---"সূরা মুলক" তার পাঠকারীর জন্য কিয়ামতের দিন ততক্ষণ পর্যন্ত শাফায়াত করতে থাকবে যতক্ষণ না তাকে ক্ষমা করে হবে। - তিরমিযী

রাসূলﷺ "সূরা মুলক" পাঠ না করে কখনও ঘুমাতেন না। - (তিরমিযী)

ইবনে আব্বাস(রা) বলেছেনঃ তোমরা "সুরা মুলক" শিখ এবং নিজেদের স্ত্রী-পুত্রদের শিখাও। এটা কবরের আযাব হতে রক্ষা করবে এবং কিয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে এই সূরা পাঠকারীর পক্ষে কথা বলে তাকে মুক্ত করবে।
রাসূলﷺ) বলেছেন আমি প্রত্যেক মুমিনের অন্তরে "সূরা মুলক" থাকা পছন্দ করি। - ফতহুল বয়ান
30 likes - 2 comments

2 Top Comments

View all comments on facebook

More feeds from ইসলাম আমার হৃদয় ছুঁয়ে

বইঃ আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস, হাদিস নম্বরঃ ৩৬
===================
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত। নাবী সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
"যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোন মুমিনের দুঃখ দূর করে দেয়, আল্লাহ্ কেয়ামতের দিন তার দুঃখ দূর করে দিবেন। যে ব্যক্তি কোন বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির বিপদ দূর করে দেয়, আল্লাহ্ দুনিয়াতে ও আখেরাতে তার বিপদ দূর করে দিবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের দোষ-ত্রুটি গোপন... View more »
যে সমস্ত শর্ত ব্যতীত ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ) পাঠ করাতে কোন লাভ নেই সেগুলো কি কি?
====================
"লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ" এর শর্ত হচ্ছে সাতটিঃ
(১) এই কালেমার অর্থ অবগত হওয়া। এর অর্থ হলো- এক আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন সত্য উপাস্য নেই। এখানে দুটি দিক রয়েছেঃ একটি নেতিবাচক অপরটি ইতিবাচক। নেতিবাচক দিকটি হলো (لا إله) (নেই কোন মা’বুদ)। এই বাক্যের মাধ্যমে আল্লাহ ব্যতীত যত... View more »
শিরক ও কুফর থেকে বাঁচতে
দৈনিক ৫ ওয়াক্ত সলাত আদায়
করুন
==================
জাবির (রযিঃ) বলেন যে, আমি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি,
"বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সলাত ছেড়ে দেয়া।"
(সহিহ মুসলিম : ১৪৮)
----------------------------------
#শিরক সবচেয়ে বড় গুনাহ । সুতরাং সলাত/নামায পড়তেই হবে ! নতুবা শিরকের কারণে #আখিরাত হতে পারে বিভীষিকাময় !
#কুরআন_থেকে
.
৪// অতএব দুর্ভোগ সেসব মুসল্লির,
৫// যারা তাদের সলাতের ব্যাপারে উদাসীন
(সূরাহ মাউন : ৪,৫)
#লজ্জাশীলতা
.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"ঈমানের ষাটেরও অধিক শাখা আছে। আর লজ্জা হচ্ছে ঈমানের একটি শাখা।"
.
(সহিহ বুখারি : ৯)
:
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় লোকটি তার ভাইকে লজ্জা সম্পর্কে ভৎর্সনা করছিল এবং বলছিল যে, তুমি অধিক লজ্জা করছো, এমনকি সে... View more »